আবরার ফাহাদ হ ত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা জিয়ন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আবরার ফাহাদ  হ ত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা (স্থায়ী বহিষ্কৃত) মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

জবান বন্দিতে জিয়ন জানিয়েছে, ‘আমি আবরারকে কিল ঘুষি মারার পাশাপাশি স্টাম্প দিয়েও হাঁটুতে পিটিয়েছি।’ গতকাল শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে সে এ স্বীকারোক্তি দেয়।

জিয়ন তার জবানবন্দিতে আরো বলে ‘এক পর্যায়ে আবরার নিস্তেজ হয়ে পড়ে ও মেঝেতে বমি করে দেয়। তখন একজন বলে ওঠে, ও ভান করছে।

এ সময় আমি স্কিপিংয়ের রশি দিয়ে তার পিঠে মারতে থাকি। ছাত্রলীগের সমাজসেবা বিষয়ক উপ-সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল মোবাইল ফোনে বিষয়টি অনিককে জানায়।

অনিক আবরারকে গোসল করিয়ে হাতে-পায়ে মলম লাগিয়ে দিতে বলে। এ সময় আবরার দ্বিতীয়বার বমি করে। তখন আবরারের কক্ষ থেকে তার কাপড়-চোপড় নিয়ে আসে অন্যজন। আবরারকে ওই কক্ষ থেকে বের করে পাশের ২০০৫ নম্বর কক্ষে নেয়া হয়।

ওই কক্ষেও আবরার বমি করে। মেহেদী তখন আবরারকে পুলিশের হাতে দেয়ার জন্য নিচে নামাতে বলে। এরপর জেমি, মোয়াজ ও শামীমসহ ৩-৪ জন তাকে কোলে করে সিঁড়ি ঘরের পাশে নিয়ে যায়। এরপর পুলিশ ও চিকিৎসকদের খবর দেয়া হয়। চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ’

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *