যে ২টি খাবার খেলে শরীরে যৌ’নশক্তি বাড়ে বহুগুণ !

সম্প্রতি টেক্সাস এ অ্যান্ড এম ইউনি-ভার্সিটির গবেষকরা বলেন, নতুন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যারা যৌ’ণশক্তির দিক থেকে অক্ষম বা দুর্বল,

তাদের সক্ষমতার জন্য তরমুজই প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। অর্থাৎ তাদের এখন থেকে আর ভা’য়াগ্রার পেছনে অর্থ না ঢেলে তরমুজে আস্থা রাখলেই চলবে।

তারা গবেষণার পর বিস্ময়কর ফল দেখতে পান, একটি তরমুজে সিট্রোলিন নামের অ্যামাইনো এসিডের পরিমাণ এত বেশি, যা আগে বিজ্ঞানীরা ধারণাও করতে পারেননি।

তা’লের শাঁস খেলেই বিশেষ রোগ থেকে মিলবে মুক্তি!
তা’লের শাঁস খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। কিন্তু তা’লের শাঁসে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে তা আম’রা অনেকেই জানি না। তা’লের শাঁস যেমন সুস্বাদু, তেমনি রয়েছে পুষ্টি।

এই করো’নাকালে সবারই উচিত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। তবে নাকি করো’নাকে ঠেকানো সম্ভব, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের।

জানেন কি? তা’লের শাঁসে রয়েছে হাজারো পুষ্টিগুণ। এই মৌসুমে তা’লের শাঁস খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সেই সঙ্গে বাড়বে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

শুধু গ্রীষ্মকালেই বাজারে কচি তাল দেখতে পাওয়া যায়। এর নরম কচি শাঁস খেতে ছোট বড় সবাই পছন্দ করে। এতে থাকা অনেক খাদ্যশক্তি এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান শরীরের বহু রোগের দাওয়াই। এবার তবে জেনে নিন তা’লের শাঁসের পুষ্টিগুণ এবং এর উপকারিতা স’ম্পর্কে।

মিষ্টি স্বাদের কচি তা’লের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতেও অনেক ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম তা’লের শাঁসে আছে জলীয় অংশ ৮৭ দশমিক ছয় গ্রাম, আমিষ শূন্য দশমিক আট গ্রাম, ফ্যাট শূন্য দশমিক পাঁচ গ্রাম,

কার্বোহাইড্রেট ১০ দশমিক নয় গ্রাম, খাদ্য আঁশ এক গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন এক মিলিগ্রাম, থায়ামিন শূন্য দশমিক চার গ্রাম, রিবোফাভিন শূন্য দশমিক দুই মিলিগ্রাম, নিয়াসিন শূন্য দশমিক তিন মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি মিলিগ্রাম। এসব উপাদান আমাদের শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করাসহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

১। তা’লের শাঁসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।২। ক্যান্সারের মতো ম’রণ ব্যাধি রোগ থেকেও রক্ষা করে রসালো এই তা’লের শাঁস।৩। তা’লের শাঁস আমাদের স্মৃ’তিশক্তি ভালো রাখে এবং শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে। ৪। বমি ভাব আর মুখের অরুচিও দূর করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৫। তা’লের শাঁসে ক্যালসিয়াম থাকায় এটি দাঁতের জন্য অনেক ভালো। দাঁতের এনামেল ভালো রাখে এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।

৬। তা’লের শাঁস হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে। কচি তা’লের শাঁস র’ক্তশূন্যতা দূরীকরণে দারুণ ভূমিকা রাখে। ৭। তা’লে শাঁসে আছে পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন, সালফার, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো বেশ কিছু উপকারী উপাদান। যা আমাদের চোখের জন্য অ’ত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও চোখের এলার্জি সহ অন্যান্য চোখের রোগের প্রকোপ কমাতে তাল অনেক কার্যকরী।

৮। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি খেলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর এর ফলে আম’রা বিভিন্ন রকম মৌসুমী অ’সুখ থেকে মুক্তি পাই।৯। তা’লের শাঁস খেলে লিভা’রের সমস্যা দূর হয়। এতে থাকা ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স খাবারে রুচি বাড়াতে সাহায্য করে। ১০। তা’লে শাঁস র’ক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি খেলে শরীরে নাইট্রেটের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের র’ক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ১১। গরমের দিনে তা’লের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ পানিশূন্যতা দূর করে। প্রাকৃতিকভাবে দেহকে রাখে ক্লান্তিহীন।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *