ঈদ-উল-আজহায় গণপরিবহন চলাচলে এল নতুন সিদ্ধান্ত

ঈদের সময় রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরবাসী মানুষের গ্রামে ফেরা আমাদের ঐতিহ্যে রূপ নিলেও তাতে বাধ সেধেছে করো’না মহামা’রি।

ঈদুল ফিতরের সময় বন্ধ ছিল গণপরিবহন, চলাচলেও ছিল নিষেধাজ্ঞা। স্বাভাবিকভাবে বাড়ি ফেরার সুযোগ ছিল না কারো। যদিও গত ঈদে ব্যক্তিগত গাড়িতে বাড়ি ফেরার সুযোগ দিয়েছিল সরকার।

আসন্ন ঈদ-উল-আজহার সময় সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে গণপরিবহন চলাচল করবে বলে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ১ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত আগের মতো চলাচল সীমিত রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করা হচ্ছে।

ঈদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানির পশুরহাট বসানোর পাশাপাশি দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা হবে। আগে দোকানপাট খোলা ছিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

মার্চ মাসের শুরুতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী প্রথম ধরা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রম অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে।

সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, গত ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ছিল। পরে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়, চালু করা হয় গণপরিবহন। পরে এ ব্যবস্থা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। সেই মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রেড জোনে অবস্থিত সাম’রিক-বেসাম’রিকসহ সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধাস্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মচারী-কর্মক’র্তারা সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় অঞ্চলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার সার্বিক দায়িত্ব থাকবে সিটি করপোরেশনের।

সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে জে’লা প্রশাসন সমন্বয় করবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জে’লা-উপজে’লা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমন্বিতভাবে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। এতে সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, স্বেচ্ছাসেবীসহ অন্যদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *